একটি ফিকির!

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ইতায়াত করো এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইতায়াত করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমর রয়েছেন উনাদের ইতায়াত করো।” (পবিত্র সূরা আন নিসা শরীফ : আয়াত মুবারক ৫৯)
মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা নেকি ও পরহেযগারিতার মধ্যে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ-নাফরমানি ও শত্রুতার মধ্যে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য সহযোগিতা করো না। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ : আয়াত মুবারক ২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “তোমরা (মুসলমানরা) তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে প্রথমত ইহুদীদেরকে অতঃপর হিন্দু তথা মুশরিকদেরকে।”
আরো ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং কাফির ও মুনাফিক তথা ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধদের অনুসরণ করো না।”
এখন ফিকিরের বিষয়, মুসলমানদের বড় শত্রু হচ্ছে প্রথমত ইহুদী অতঃপর কাট্টা মালউন হিন্দু তথা মুশরিকরা। মূলতঃ একথাগুলো মহান আল্লাহ পাক উনার কথা মুবারক।
আর কথা হচ্ছে, বাংলাদেশ শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমানের দেশ। এদেশের মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক চলবে এটাই স্বাভাবিক। মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা নিষেধ করেছেন সেটা মানতে হবে আর যা আদেশ করেছেন সেটাও মানতে হবে।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন মূর্তি ও বাদ্যযন্ত্র ধ্বংস করার জন্য।”
লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, হিন্দুদের পূজা-পার্বণে, গান-বাজনায় মুসলমানের উপস্থিত বর্তমান এত বেশি যে, মনে হয় এটা তাদেরই কোনো অনুষ্ঠান। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু কেন মুসলমানরা হিন্দুদের অনুষ্ঠানে যায়? একবারও কি কেউ ফিকির করে? হিন্দুদের অনুষ্ঠানে গেলে মুসলমানের ঈমান থাকে, কি থাকে না? সেটা কি তারা ভাবে? ভাবে না। তার কারণ হচ্ছে, উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানা। এই উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী মাওলানাদের দ্বারা আজ মুসলমানরা বিভ্রান্ত।
আর এই উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী দুনিয়াদার মাওলানাদের ধোঁকাবাজি থেকে মুক্তি পাওয়ার রাস্তা মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিয়েছেন, “তোমরা ওই ব্যক্তি উনার পথ অনুসরণ করো যিনি আমার দিকে রুজু হয়েছেন।”
কারণ আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছাল শরীফ উনার পর হতে ক্বিয়ামত পর্যন্ত আর কোনো নবী কিংবা রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা আগমন করবেন না। এ সময় মানুষ সঠিক পথে পরিচালিত হবে কেবল ওলীআল্লাহ উনাদের মাধ্যমে।
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী ফিকির করার তাওফিক দান করুন। (আমীন)
4 টি মন্তব্য
মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।
উদীয়মান সূর্য
রাতের তারা
কুমিল্লাবাসী
MNURUNNABI