সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

আন্তর্জাতিক

আযাব গযব!!! (১)

আযাব গযব!!! (১)
*****************
মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দোয়া ও রোবের প্রতিফলন মুসলমানগণকে যুলুম নির্যাতন করার ফলস্বরূপ যুলুমবাজ কাফিরদের উপর বন্যা, তুষারপাত, ঘূর্ণিঝড়, দাবানল, ভূমিকম্প প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন প্রকার বিশৃঙ্খলা অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং অর্থনৈতিক মন্দারূপে খোদায়ী গযব অব্যাহত।
*****************************************************************************
[পৃথিবীর সমস্ত ইহুদী-নাছারা-মজুসী-মুশরিক তথা তাবৎ কাফির সম্প্রদায় পৃথিবীর আনাচে-কানাচে, অলিতে-গলিতে মুসলমানদের উপর জুলুম নির্যাতন করছে, তাঁদেরকে শহীদ করছে, মুসলমানদের সম্পদ লুণ্ঠন করছে, মুসলিম মহিলাদের সম্ভ্রমহরণ করছে, সন্ত্রাসী অপবাদ দিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করছে। জুলুম-নির্যাতনের পাশাপাশি ফরয-ওয়াজিব-সুন্নতে মুয়াক্কাদা পালনে তথা শরীয়ত পালনে বাধা প্রদান করছে। এতদ্প্রেক্ষিতে যামানার ইমাম ও মুজাদ্দিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, কুতুবুল আলম, কাইয়্যুমুয যামান মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি পৃথিবীর সমস্ত নির্যাতিত মুসলমানদের পক্ষ থেকে যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার শাহী দরবারে কাবা শরীফকে যেভাবে জালিম কাফির আবরাহার হাত থেকে রক্ষা করেছেন সেভাবে মুসলমানদেরকে রক্ষা করার এবং এই কাফির সম্প্রদায়কে আবরাহার মতো ধ্বংস করে দেয়ার ফরিয়াদ জানান। উনার সেই মুবারক দোয়া ও ফরিয়াদের ফলে মহান আল্লাহ পাক কাফিরদের উপর বিভিন্ন আযাব-গযব নাযিল করে তাদেরকে নিস্তানাবুদ করে দিচ্ছেন। তার প্রমাণ হচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপ-আমেরিকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন কাফিরদের দেশগুলোতে ভয়াবহ ভূমিকম্প সুনামি, ব্যাপক তুষারপাত, সাইক্লোন-টর্নেডো, ব্যাপক দাবানল ইত্যাদির প্রকোপ তথা অর্থনৈতিক মন্দার ভয়াবহ গযব। প্রসঙ্গত মহান মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “ইহুদী-খ্রিস্টান, কাফির-মুশরিকরা যদি মুসলমানদের উপর যুলুম-অত্যাচার বন্ধ না করে তবে, তারা রাস্তার ফকির হয়ে যাবে। ডাস্টবিন থেকে খাবে। এক সময় ডাস্টবিন থেকেও খাবার পাবে না। ডাস্টবিনের খাবার নিয়ে কুকুরের সাথে কামড়া-কামড়ি করবে। এরপরও তারা (কাফিররা) যদি মুসলমানদের উপর নির্যাতন বন্ধ না করে, তবে তারা থাকার জায়গা না পেয়ে রাস্তায় গড়াগড়ি খাবে এবং এক পর্যায়ে গড়াগড়ি খেতে খেতে স্থলভাগে স্থান না পেয়ে পানিতে নামতে বাধ্য হবে। অর্থাৎ পানিতে হাবুডুবু খেয়ে মরবে।” প্রাপ্ত তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মুজাদ্দিদে আযম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ-এর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি যখন থেকেই এরকম দোয়া করছেন ও এসব ভবিষ্যদ্বাণী করছেন তখন থেকেই আমেরিকা, ইউরোপসহ জুলুমবাজ বিধর্মী বিশ্ব ধারাবাহিকভাবে অর্থনৈতিক মন্দাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগরূপী গযবে প্রকটভাবে আক্রান্ত হচ্ছে।]
 
গোলমেলে বিশ্ব অর্থনীতি, যাচ্ছে কোন্ দিকে? (২)
*********************************************
বিশ্ব অর্থনীতি এখন যথেষ্ট গোলমেলে অবস্থায় আছে। একদিন হয়তো শেয়ারবাজারে ধস নামলো, পরদিনই জ্বালানি তেলের দাম নেমে গেল ৪০ ডলারের নিচে। আরেক দিন হয়তো সোনার দাম কমে নতুন রেকর্ড তৈরি করে ফেললো। আবার দেখা গেল, বিশ্বের বড় বড় মুদ্রার মূল্যমান হারিয়ে যা-তা অবস্থা। বিশ্ব অর্থনীতির এই উঠানামার সঙ্গে তাল মেলানোই মুশকিল। বড় অর্থনীতির দেশগুলোর নীতিনির্ধারকদের অবস্থা তো আরো খারাপ। মন্দা ঠেকাতেই তারা ব্যস্ত।
ইউরোপের অর্থনীতি অনেক দিন ধরেই মন্দায়। সাম্প্রতিক গ্রিস-সঙ্কট ইউরোপের অর্থনীতির দুর্বলতাকে আরো প্রকট করেছে। তবে গ্রিস সারা বিশ্বের অর্থনীতিকে ততটা ধাক্কা দিতে পারেনি, যতটা পেরেছে এশিয়ার দেশ চীন। চীনের চাহিদা ও যোগানের উপর এখন নির্ভর করছে বিশ্ব অর্থনীতির উঠানামা।
আলপিন থেকে শুরু করে হেন কিছু নেই, যা চীন রফতানী করে না। বিশ্বের এক নম্বর রফতানীকারক দেশ চীন। বিশ্বের মোট রফতানীর ১৩ দশমিক ৭ শতাংশই চীনের। আবার বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৫ শতাংশ আসে চীন থেকে। সুতরাং এ রকম একটি দেশের যেকোনো ধরনের সঙ্কট যে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে, সেটা বলাই বাহুল্য।
রফতানীনির্ভর চীনের প্রবৃদ্ধি কতখানি টেকসই, এ নিয়ে প্রশ্ন আগে থেকেই ছিল। কমছিল দেশটির রফতানী। কেবল এক মাসেই কমেছে ৮ শতাংশ। রফতানীর এই পতন ঠেকাতে অনেকটা আকস্মিকভাবেই বিশ্বের দ্বিতীয় অর্থনৈতিক শক্তি চীন আগস্টে (২০১৫ঈ) পরপর দুই দিন তাদের মুদ্রা ইউয়ানের অবমূল্যায়ন ঘটায়। এর মধ্যে ১১ আগস্ট-২০১৫ অবমূল্যায়ন করা হয় ১ দশমিক ৯ শতাংশ, পরের দিন আরো ১ শতাংশ। চীনের মুদ্রা পুরোপুরি ভাসমান বা ফ্লোটিং নয়। ইউয়ানের অবমূল্যায়নের কারণে চীনা রফতানীযোগ্য পণ্য আরেকটু সস্তা হবে। দেশটির আশা, এর ফলে রফতানীও বাড়বে। বিশ্বের অনেক দেশকেই চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে রফতানী-বাণিজ্যে টিকে থাকতে হয়। অবমূল্যায়নের ফলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে এখন অন্য দেশগুলোকেও অনুসরণ করতে হবে চীনকে, তা করেছেও।
কিন্তু অবমূল্যায়নের রেশ না কাটতেই আরো বড় ধাক্কা লাগল বিশ্ব পুঁজিবাজারে। (সূত্র: ইন্টারনেট)

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।