কাফির নায়েক বলেছে যে, মুসলমানদের জন্য টাই পরা জায়িজ। কারণ বাইবেলের কোথাও টাইকে ক্রুশের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। সে আরো বলেছে, টাই যদি ক্রুশের মত হয়ে থাকে তবে কুর্তা আরো বেশী ক্রুশের মত। সে আরো বলেছে যে, যে কোন পোশাক পরিধান করা যাবে যদি সেটি শরীয়া বিরোধী না হয়। (নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক)
(Muhammed in various world religious scripture- from the CD -"Presenting Islaam and Clarifying Misconceptions –Lecture series by Dr.Zaakir Naik, Developed by AHYA Multi-Media- 12 Enlightening Sessions)
কাফির নায়েক কত বড় মাপের কাফির যে সে বাইবেলে ইসলামী আদেশ-নিষেধ খুজে বেড়ায়! মহান আল্লাহ পাক সূরা মায়িদার ৪৪ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল করেছেন সে অনুযায়ী যারা আদেশ-নির্দেশ করবেনা তারা কাফির।” মহান আল্লাহ পাক সূরা ইমরান এর ৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “যে দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত হবে।” আবার হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মিশকাত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথে হবে।”



কোর্ট, টাই, প্যান্ট, শার্ট এর প্রতি তার এতো মুহব্বত কেনো? নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে পোশাক মুবারক পরিধান করেছেন সেটার অনুসরণ করতে তার এতো কষ্ট কেনো?
আল্লাহ পাক তিনি যে কুরআন শরীফ-এ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করতে বলেছেন আর কাফিরদের অনুসরণ থেকে বেঁচে থাকতে বলেছেন সেটা কি ওই কাফির দেখে না? বাইবেলে কি আছে সেটা খুঁজতে যায় কেনো?
মূলত সে কাফির ও তার অন্তরে তার জাতি কাফিরদের মুহব্বত পরিপূর্ণ; যার কারণে তার অন্তর ওইটাই চায়।
মহান আল্লাহ পাক সূরা ইমরান এর ৮৫ নম্বর আয়াত শরীফ এ ইরশাদ করেন, “যে দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম বা মতবাদের নিয়ম-নীতি গ্রহণ করবে সেটা তার থেকে গ্রহণ করা হবে না এবং সে পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অর্থাৎ জাহান্নামীদের অন্তর্ভূক্ত হবে।”
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবীয়্যিন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফ-এর ইরশাদ করেছেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত এবং তার হাশর-নশর তাদের সাথে হবে।”
কাফির নায়েক ও তার অনুসারিদের হাশর-নশর কাফির, মুশরিকদের সাথে হবে।
আপনি টেবিলে ভাত খান?
সব সময় টুপি পড়েন, পান্জাবি-পায়জামা পড়েন?
তাহলে বাংলাদেশে আছেন কেনো?
টাই কেনো পড়া হয় জানেন?
ইনশাআল্লাহ পরাজিত হবেন।
সবদেশে নিজস্ব পোশাক আছে।
টাই আর ক্রুশ এক হল?
আমরা ক্যামব্রিয়ান কলেজে পড়ি, টাই পড়তেই হয়।
এ নিয়ে নিজের মনগড়া কথা বলবেন না। কুরআন>হাদিস>ইজমা>কিয়াস>বিবেক।
মানতে হবে সবগুলাই।একটাতে না পাইলে আরেকটা পর্যায়ক্রমে আছে।
১.৯২.৫ :
মার্চ ১৭th, ২০১২ at ৮:১৫ অপরাহ্ন
@theperfectwork, জি না, টেবিল ভাত খাওয়া বিদায়াত। আমি সুন্নতি কোর্তা, পায়জাম, পাগড়ী,রুমাল পরিধান করি।
এখানে বাংলাদেশে থাকা না থাকা কেন ?
বলেন দেখি টাই কেন পরে?
সবদেশের যেমন নিজস্ব পোশাক রয়েছে তেমনি ইসলাম ধর্মের ও নিজস্ব পোশাক আছে। জানেন না মনে হয়।
টাই পড়তেই হয়… তা আপনাকে যদি আপনার ক্যামব্রিয়ান কলেজে বিবস্ত্র হয়ে যেতে বলে তাহলে তাই করবেন? যেভাবে টাই পড়তেই হয় লিখেছেন তাতে মনে হচ্ছে আপনার জন্য টাই পড়া ফরয?
বিবেক জিনিসটি ক্বিয়াসের পরে আপনার অবিষ্কার?
তাজদীদ :
অগাস্ট ২৪th, ২০১২ at ৯:১৮ পূর্বাহ্ন
@theperfectwork, টাই আর ক্রশ যে একই অর্থাৎ এটাযে খ্রিস্টানদেরই একটি প্রতীক তার প্রমাণ হচ্ছে ইহুদীরা টাই পড়েনা। আরো ডকুমেন্ট/প্রমাণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন- http://www.sabujbanglablog.net/32261.html
বিবেক জিনিসটা কিয়াসের পরে লিখলাম,
তাদের কেউ কেউ কান রাখে তোমাদের প্রতি; তুমি বধিরদেরকে কি শোনাবে যদি তাদের বিবেক-বুদ্ধি না থাকে! (Yunus: 42)
যারা কিয়াস দিয়েও বুঝবে না তারা বিবেক দিয়ে বুঝে নিক।
টেবিল ভাত খাওয়া বিদায়াত। পশ্চিমাদের এই রীতি মানার জন্য কাউকে কাফের বলছেন না কেন?
১.৯২.৫ :
মার্চ ১৭th, ২০১২ at ৮:৪৫ অপরাহ্ন
@theperfectwork, বিদায়াত করলে তাকে বিদাতী বলা হয় আর যে কাফির নায়েকের মত ইসলাম বিরোধী বক্তব্য দিয়ে কুফরী করে যাচ্ছে তাকে কাফির বলা হয়।
যারা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও কিয়াস মানে না তাদের আবার বিবেক আছে নাকি?
Islam বিরোধী কোন কথা তাকে আমি বলতে শুনিনি। আমি তার অনুষ্ঠান TV তে দেখি আর তার অনেক লেকচার আমার কাছে আছে।
বিদয়াত করবেন কেন?
“আসুন জেনে নিই বিদআত কি এবং কত প্রকার”
“বিদআত কি জানুন , বিদআত থেকে দূরে থাকুন”
“বিদআত কি?”
লিখে গুগলে সার্চ দেন।
আর আল্লাহকে বলুন কেন শীতপ্রধান দেশে পান্জাবি না পড়ে মোটা কাপড় পড়ে? পোশাকের কারণে(বিশেষ করে টাই,মোটা কাপড়,পান্জাবি না পড়া,শার্ট পড়া) কাউকে কাফের বলা=নিজে কতটা জানেন তা প্রকাশ করা একই কথা হবে।
কনভার্টার :
মার্চ ১৮th, ২০১২ at ৭:২২ অপরাহ্ন
@Abu Taher, মূর্খ লোক সব স্থানে বিপদের কারন। অন্ধভাবে কাফির নায়েক কে সমর্থন করে নিজের ঈমান নষ্ট করার পূর্বে চিন্তা করা উচিত।
ইসলামে সব কিছুর বিধান রয়েছে। শীত প্রধান দেশের জন্য রয়েছে চাদর। চাদর পরিধান করা সুন্নত।
সে তো টাই পরা কে জায়েজ বলছে। তার উপর তো ওহী নাজিল হয় নাই যে সে ইসলামের বিধান পরিবর্তন করতে পারে। ওহীর দরজা বন্ধ নতুন করে কোন হারাম হালাল হবে না , হালাল হারাম হবেনা। হালাল স্পষ্ট হারাম স্পষ্ট। টাই স্যুট পরা জায়িজ একথা বলার অধিকার তার নেই । কারন এটা সুস্পষ্ট যে , টাই-স্যুট বিধর্মীদের পোষাক।
কাফির নায়েক সে তো শীত প্রধান দেশে থাকে না , তাহলে সে কেনো টাই-স্যুট পরিধান করে? মূলত: তার মহব্বত কাফিরদের সাথে তাই সে কাফিরদের পোষাক পরিধান করে।
সে যদি এতই বুযূর্গ হয়ে থাকে তাহলে তো তার সাথে হুযূরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সম্পর্ক এবং মহব্বত থাকার কথা। হুযূরপাক সল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম উনার সুন্নত অনুসরন করার কথা।
কিন্তু বাস্তবে তার মুখে দাড়ি ব্যতীত মুসলমানদের অন্য কোন চিহ্ণ নেই।
তার টুপিটাওতো সুন্নতী নয়।
তাহলে তো হাদীছ শরীফ অনুযায়ী বলা যায়, মান তাশাব্বাহু বিক্বাওমী ফা হুয়া মিন হুম। অর্থাৎ যে যার সাথে মিল রাখে সে তার অন্তর্ভূক্ত।
তাহলে আমরা বলতে পারি সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত। কারন সে সুন্নতী লেবাস পরিধান না করে কোট-টাই স্যুট পরে আবার এটাকে জায়েজ ফতোয়া দেয়।(নাউযুবিল্লাহ)
** বিদআত কত প্রকার এটা জানার জন্য যদি গুগল সার্চ দিতে হয় তাহলে বুঝা যায় আপনার ইলম গুগল সার্চ নির্ভর। এ ইলম দিয়ে ইসলাম না বুঝারই কথা।
মি: আবু জাহের(ল) প্রথমত আপনি টিভি দেখেন। আপনি বলুনতো আপনি টিভিতে কোন বেগানা মহিলা দেখেন না? অবশ্যই দেখেন।
তাহলে বুঝা যাচ্ছে আপনি জোকারের কারণে বে-পর্দার মত কঠিন কবিরা গুণাহে লিপ্ত হচ্ছেন।
আর বেহেশতের দ্বারে লিখা আছে, দাইয়্যুস তথা বে-পর্দা লোক জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
অতএব টিভিতে জোকার নায়ককে দেখনেওয়ালারা অবশ্যই যতই নেক কাজ আর ইসলামের দাওয়াত দিক না কেন তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
@ Sultan……. Is it allowed calling someone with these names? Differences of opinion exists always. But if we dont have mutual respect, we wont b able to find a solution.
১.৯২.৫ :
মার্চ ২২nd, ২০১২ at ১২:০১ অপরাহ্ন
@wahid, মহান আল্লাহ পাক আযাযিল ফেরেশতা নাফরমানী করার কারণে তাকে “ইবলিশ” নামে অবিহিত করেছেন । হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিত করার কারণে আবু হাকামের নাম “আবু জেহেল” দেয়া হলো। তাহলে যে সকল নামধারী মুসলমান ইসলাম বিরোধী বক্তব্য পেশ করবে তাদেরকে কেন জেহেল, কাফির, মুরতাদ ইত্যাদি বলা যাবে না? অবশ্যই যাবে
বুঝলাম না কাফির নায়েক টা কে। আপনি কি জাকির নায়েক কে বোঝাতে চেয়েছেন?